সুস্বাস্থ্য.কম

সুস্থ্য দেহ ও সতেজ মনের জন্য...

  • Increase font size
  • Default font size
  • Decrease font size
সুস্বাস্থ্য.কম - স্বাস্থ্য বিষয়ক বাংলা ওয়েবসাইটে স্বাগতম

রেডিওফ্রিকুয়েন্সি এব্লাশন (Radio Frequency Ablation - RFA)

E-mail Print

রেডিওফ্রিকুয়েন্সি এব্লাশন শব্দটির সাথে সাধারণ মানুষের প্রথম পরিচয় ঘটে ২০০৪ সালে, সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার যখন এর মাধ্যমে তার হৃদপিন্ডের অনিয়ন্ত্রিত স্পন্দন (Recurrent Atrial Flutter) এর চিকিৎসা করান। বোঝাই যাচ্ছে এই পদ্ধতির প্রচলন হয়েছে তারও আগে, আর নিরাপদ বলেই এমন গুরুত্বপূর্ণ একজন ব্যক্তি এমন চিকিৎসা নিয়েছেন নির্দ্বিধায়

রেডিওফ্রিকুয়েন্সি এব্লাশন হল তড়িৎ শক্তি (electrical force) এর মাধ্যমে রোগাক্রান্ত কোন বিশেষ কোষ সমুহ বা কলা (tissue) কে ধ্বংস করে দেয়া। শরীরের বহিঃঅংশে আছে এমন কোন অংশ কে সহজেই অপারেশন (operation) এর মাধ্যমে সারিয়ে তোলা যায়। রেডিওফ্রিকুয়েন্সি এব্লাশন এর মাধ্যমে ঐসব স্থানেই চিকিৎসা দেয়া হয় যেখানে সহজে সার্জারি (surgery) করা যায়না অথবা করা গেলেও তা দুরহ। সাধারনত হার্ট এর অনিয়মিত স্পন্দন (arrhythmia), বিভিন্ন টিউমার (tumor/cancer), রক্তনালীর ব্লক (arterial stenosis / coronary stenosis) ইত্যাদির ক্ষেত্রেই এ পদ্ধতি প্রয়োগ করা হয়।

বিস্তারিত...
 

ক্লিনফেল্টার সিন্ড্রোম (Klinfelters Syndrome)

E-mail Print

ক্লিনফেল্টার সিন্ড্রোম, টার্নারস সিন্ড্রোম (Turner’s syndrome)এর মতোই একটি জেনেটিক রোগ (genetic disease) তবে এই রোগে কেবলমাত্র একটি ছেলেশিশুই আক্রান্ত হয়।  এই রোগীদের দেহকোষে স্বাভাবিক মানুষের চেয়ে ক্রোমোজমের (chromosome) সংখ্যা একটি বেশী থাকে। সোজা কথায় একজন স্বাভাবিক মানুষের দেহকোষে ক্রোমোজম থাকে ৪৬ টি (মহিলাদের 44+XX আর পুরুষের 44+ XY) আর এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিটির ক্রোমোজমের সংখ্যা  ৪৭ টি (44+XXY)আর যেহেতু আক্রান্ত শিশুটির কোষে একটি Y ক্রোমজম থাকে সে জন্যই সে একজন ছেলের রূপ নিয়েই জন্মায়।

১৯৪২ সালে হেনরি ক্লিনফেল্টার সর্বপ্রথম এই রোগটি বর্ননা করেন আর তার নামানুসারেই এ রোগের নামকরণ করা হয়। ভুমিষ্ট হওয়া প্রতি ১০০০ ছেলে সন্তানের মাঝে একজনের এ রোগ নিয়ে জন্মাবার সম্ভাবনা থাকে।

একটি শিশু বয়ঃসন্ধি হবার আগ পর্যন্ত খুব সময়ই বোঝা যায় সে এমন রোগে ভুগছে কিনা। তবে ভালো করে লক্ষ্য করলে দেখা যায় ক্লিনফেল্টার সিন্ড্রোম এ আক্রান্ত শিশুটির মাংশ পেশীর গঠন থাকে অপেক্ষাকৃত স্বল্প ও দুর্বল প্রকৃতির। ।যার ফলে খুব অল্প বয়স থেকেই সে দুর্বলতায় ভোগে, বিশেষ করে যে কোন খেলাধুলায় তাকে সব সময়ই পিছিয়ে থাকতে দেখা যায়। এদের কিছু সংখ্যকের মেধা বা বুদ্ধি ও সামান্য কম থাকতে দেখা যায়।

বিস্তারিত...
 

টার্নার্স সিন্ড্রোম (Turner’s Syndrome)

E-mail Print

টার্নার্স সিন্ড্রোম মানব দেহের ক্রোমোজমের (chromosomal disorder) একটি রোগ। পৃথিবীর প্রতি ২৫০০ মহিলাদের মাঝে একজন এমন রোগে আক্রান্ত। বোঝাই যাচ্ছে ছেলেরা এ রোগে আক্রান্ত হয়না। আসলে এ রোগ নিয়ে জন্ম নেয়া মানুষটির একটি ক্রোমোজম (chromosome) কম থাকে। একজন সুস্থ্য স্বাভাবিক মানুষের যেমন ৪৬ টি ক্রোমোজম থাকে (মহিলাদের 44+XX আর পুরুষের 44+ XY) এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিটির সেখানে ক্রোমোজম থাকে ৪৫ টি (44+X)আর তাই একগাদা উপসর্গ নিয়ে জন্ম নেয়া শিশুটি একজন মেয়ে হিসেবেই বড় হতে থাকে।

উইলিয়াম টার্নার নামক একজন এন্ডোক্রাইনলজিস্ট (endocrinologist) বা হরমোন রোগ বিশেষজ্ঞ ১৯৩৮ সালে সর্বপ্রথম এই রোগটি বর্ননা করেন আর তার নাম অনুসারেই এ রোগের নাম করন করা হয়। যদিও মাতৃগর্ভে থাকা অবস্থায় ই এই রোগটি নির্নয় করা সম্ভব তবে অনেক ক্ষেত্রেই শিশুটির বয়সন্ধির আগে রোগটি ধরা পরেনা।

অভিভাবকের প্রথম অভিযোগ থাকে এই যে মেয়েটি তার বয়স অনুযায়ী লম্বা হচ্ছেনা (short stature)তবে ভালো করে লক্ষ্য করলে দেখা যাবে খর্বাকৃতি ছাড়াও মেয়েটি শরীরে আরো উপসর্গ ধারন করে যেমন ঘাড় অনেক মোটা হওয়া (webbing of neck), কান গুলো অপেক্ষাকৃত নীচে থাকে (low set ears), পেছন দিকে মাথার তালু ছাড়িয়ে ঘাড় থেকেও চুল ওঠা (low cut hairline), হাত ও পা ফুলে যাওয়া (lymphoedema), আঙ্গুল ছোট হওয়া, মুখ মাছের মুখের (fish mouth) মত হওয়া ইত্যাদি। শিশুটির বুক অনেক চওড়া থাকে (shield chest) এবং স্তনবৃন্ত  গুলো একটা আরেকটা থেকে অনেক দূরে দূরে থাকে(widely spaced nipple)

এমন রোগে আক্রান্ত শিশুটির অনেক সময়ই বুদ্ধিশুদ্ধি ভালো থাকতে দেখা যায় তবে এদের অনেকেই আবার কম বুদ্ধি সম্পন্ন হয়। এদের গনিতে পারদর্শিতা অপেক্ষাকৃত কম থাক, কম থাকতে পারে শ্রবন ক্ষমতা এমন কি দৃষ্টি শক্তিও।

বিস্তারিত...
 

স্পাইনা বাইফিডা (Spina Bifida)

E-mail Print

এই ভূপৃষ্ঠে ভূমিষ্ঠ হওয়া শিশুদের বিশাল একটি অংশ নানাবিধ জন্মগত ত্রুটি (congenital malformation) নিয়ে জন্মায়। সেসবের মধ্যে সংখাধিক্যে সর্বাধিক ত্রুটিটির নাম স্পাইনা বাইফিডা (spina bifida)। বিশ্বে জন্ম নেয়া প্রতি ১০০০ শিশুর মাঝে ১ থেকে ২ টি শিশু এমন ত্রুটি নিয়ে জন্মাতে পারে।

জন্মগত এই ত্রুটিটি নিউরাল টিউব (neural tube) নামক একটি ভ্রুনাংগের ত্রুটির কারনে হয়। এতে জন্ম নেয়া শিশুটির কশেরুকা (vertebra) নামক হাড়টির পেছনের অংশটি জোড়া লাগা অসম্পূর্ণ থাকে এবং এর ফলে মেরুদন্ডের অভ্যন্তরিস্থ স্পাইনাল কর্ড (spinal cord) এবং এর থেকে বের হয়ে আসা নার্ভ (nerve) গুলো অরক্ষিত হয়ে পড়ে ।

বিস্তারিত...
 

অটো ইমিউন ডিজিজ (Auto Immune Disease)

E-mail Print

ইমিউন শব্দটির সঠিক মেডিকেল অর্থ হয়তোবা প্রতিরক্ষা। মানুষের দেহে ইমিউন সিস্টেম (immune system)নামক খুব সংবেদনশীল এবং উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন একটি প্রতিরক্ষা পদ্ধতি রয়েছে। অটোইমিউন ডিজিজ মানবদেহের এই প্রতিরক্ষা ব্যুহের একটি রোগ। চলুন আগে জেনে নেই এই ইমিউন সিস্টেম কি এবং তা কাজ করে কীভাবে।

ইমিউন সিস্টেম বা প্রতিরক্ষা বুহ্য খুবই ত্বরিত গতিতে প্রায় সব ধরনের ব্যাকটেরিয়া ভাইরাস এবং অন্যান্য জীবানু কে সনাক্ত করতে এবং ধ্বংস করে দিতে পারে। কোন কারণে যখন এটা ব্যর্থ হয় কেবল মাত্র তখনই শরীর জীবানু দ্বারা রোগাক্রান্ত হতে পারে। শক্তিশালী ইমিউন সিস্টেমের কারণেই আমরা ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন এবং তার ও অধিক জীবানু পরিবেষ্টিত থাকা সত্তেও খুব কম সময়েই ইনফেকশন (infection)এর কবলে পড়ি

তবে হ্যা, কিছু কিছু রোগ আছে যা আমাদের ইমিউন সিস্টেম কে দুর্বল করে এর কার্যকারিতা হ্রাস করে দেয়, কিছু কিছু আবার একে একদম শেষ করে দেয়। কিছু কিছু অসুধ সেবনের কারনেও ইমিউন সিস্টেম দুর্বল এবং অকার্যকর হতে পারে। ইমিউন সিস্টেম দুর্বল এবং অকার্যকর হবার কারনে মানবদেহ অতি সহজেই যে কোন জীবানুর সংক্রামনে জরাগ্রস্থ এবং ধরাশয়ী হতে পারে।

বিস্তারিত...
 

হৃদরোগ সংক্রান্ত কিছু সাধারণ উপদেশ

E-mail Print

হৃদরোগ সংক্রান্ত কিছু সাধারণ উপদেশ নীচে দেওয়া হল -

· সকল প্রকার তামাক এবং তামাকজাত দ্রব্য গ্রহন থেকে বিরত থাকুন।

· অতিরিক্ত তেল অথবা চর্বি যুক্ত খাবার গ্রহন থেকে বিরত থাকুন,স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহন করুন।

· আপনার খাদ্য তালিকায় তাজা শাকসব্জি এবং ফল অন্তর্ভুক্ত করুন।

· তরকারিতে পরিমিত লবন খান, খাবারে বাড়তি লবন মিশিয়ে খাওয়া বন্ধ করুন।

· চিনি বা মিষ্টি জাতীয় খাবার যত সম্ভব এড়িয়ে চলুন।

· ঘাম ঝরানো শারীরিক পরিশ্রম করুন, হাটার সময় দ্রুত হাটুন। সব সময় লিফট ব্যবহার না করে যতদুর সম্ভব সিড়ি বেয়ে উঠার অভ্যাস করুন।

বিস্তারিত...
 

শিশুদের বয়সভিত্তিক বৃদ্ধি

E-mail Print

শিশুর বাহ্যিক বৃদ্ধি দেখে অনেক সময়ই আমরা বুঝতে পারি শিশুটির মানসিক ও মস্তিস্কের বৃদ্ধি ঠিক মতো হচ্ছে কিনা। ভিন্ন ভিন্ন সময়ে শিশুর ভিন্ন ভিন্ন অংগ পূর্ণ বৃদ্ধি লাভ করতে পারে। এর একদম নির্দিষ্ট সময় কাল না থাকলেও একটা সীমারেখা আছে। নীচে তার কিছু উল্লেখ করা হলো।

তিন মাসঃ

শিশুকে এই সময় পিঠে বালিশ দিয়ে বসিয়ে দিলে সে সোজা হয়ে বসে থাকতে পারে, মাথা বা ঘাড় কাত হয়ে পরে যায়না। নিজের হাত নাড়িয়ে তা সে লক্ষ্য করে, চোখ ঘুরিয়ে সব কিছু লক্ষ্য করতে চায়, শব্দ শুনলে মাথা ঘুরিয়ে তাকাতে চায়। এ সময় সে তার মাকে ভালোভাবেই চিনতে পারে।

বিস্তারিত...
 
  • «
  •  Start 
  •  Prev 
  •  1 
  •  2 
  •  3 
  •  Next 
  •  End 
  • »


Page 1 of 3

If you cannot view in Bangla Click here

সুস্বাস্থ্য সুপারিশ করুন

এই সাইটের সকল তথ্য শুধুমাত্র চিকিৎসা সংক্রান্ত জ্ঞানার্জন ও সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রকাশিত যা কোন অবস্থাতেই চিকিৎসকের বিকল্প নয়রোগ নির্নয় ও তার চিকিৎসার জন্য সংশ্লিস্ট চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া বাঞ্ছনীয়

 


cheap viagra no prescription