সুস্বাস্থ্য.কম

সুস্থ্য দেহ ও সতেজ মনের জন্য...

  • Increase font size
  • Default font size
  • Decrease font size
রক্তনালীর বিভিন্ন রোগ

ভেরিকোস ভেইন

E-mail Print

এটা শিরার (রক্তনালী) একটি রোগ। শরীরের কোনো অংশের শিরা যদি প্রসারিত হয়ে যায় অর্থাৎ দৈর্ঘে ও প্রস্থে বড় হয়ে যায় তাকে ভেরিকোস ভেইন বলে। শতকরা প্রায় ২০ মানুষই এই রোগে আক্রান্ত। সাধারণত পা এবং হাতের শিরায় এই রোগটি বেশী হতে দেখা যায় তবে শরীরের যে কোনো স্থানের শিরায় ই এই রোগটি হতে পারে।

বিস্তারিত...
 

বার্জারস ডিজিজ (Buerger’s Disease)

E-mail Print

বার্জারস ডিজিজ মূলত ধুমপায়ীদের একটি রোগ। দরিদ্র, অশিক্ষিত যুবক (বয়স ত্রিশ এর নীচে) যারা খালি পায়ে মাঠে বা রাস্তায় কাজ করে তাদেরই বেশীরভাগ ক্ষেত্রে এই রোগে আক্রান্ত হতে দেখা যায়। অনেক সময় রাস্তাঘাটে একধরনের অল্প বয়সের ভিক্ষুক দেখা যায় যাদের পায়ের আঙ্গুল বা পাতার অর্ধেক অথবা হাটুর নীচের অংশ কাটা থাকে। এদের একটা বিশাল অংশ বার্জারস ডিজিজ এর শিকার হয়ে ঐ পথ বেছে নিয়েছে।

বিস্তারিত...
 

আর্টারিও ভেনাস ফিস্টুলা (Arterio Venous Fistula)

E-mail Print

যখন শরীরের গহবর বিশিষ্ট দুটি অঙ্গের মধ্যে অস্বাভাবিক একটি পথ তৈরী হয় তাকে ফিস্টুলা বলে। ফিস্টুলা শরীরের অনেক অঙ্গেই হতে পারে, রক্তনালীর ধমনী (Artery) আর শিরার (Vein) মধ্যে যখন এই ফিস্টুলা তৈরী হয় তখন তাকে এভি ফিস্টুলা বা আরটারিও ভেনাস ফিস্টুলা বলে। এভি ফিস্টুলা জন্মগত একটি রোগ তবে আঘাত পেলেও কখনো কখনো এমনটি হবার সম্ভাবনা থাকে। আবার জটিল কিডনি রোগে ডায়ালাইসিস করার জন্য ইচ্ছাকৃত ভাবেই এই ফিস্টুলা বানিয়ে নেয়া হয়।

বিস্তারিত...
 

রক্ত নালীর (Vascular) রোগীদের জন্য পরামর্শ

E-mail Print

১. ধুমপান, জর্দা, তামাক পাতা, গুল, নস্যি জাতীয় দ্রব্য চিরতরে পরিত্যাগ করতে হবে

২. কখনোই খালি পায়ে হাটা যাবেনা, জুতা বা স্যান্ডাল ব্যবহার করতে হবে। ঘরের বাইরে পা ঢেকে থাকে এমন জুতা ব্যবহার করাই শ্রেয়। সব সময় আরাম দায়ক নরম জুতা ব্যবহার করাই উত্তম

৩. পা সব সময় শুকনো রাখতে হবে তাই গোসল বা অজুর পর যত্ন সহকার পা মুছে নিতে হবে

বিস্তারিত...
 
  • «
  •  Start 
  •  Prev 
  •  1 
  •  2 
  •  Next 
  •  End 
  • »


Page 1 of 2

সম্পর্কিত আরও লেখা

সুস্বাস্থ্য সুপারিশ করুন

এই সাইটের সকল তথ্য শুধুমাত্র চিকিৎসা সংক্রান্ত জ্ঞানার্জন ও সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রকাশিত যা কোন অবস্থাতেই চিকিৎসকের বিকল্প নয়রোগ নির্নয় ও তার চিকিৎসার জন্য সংশ্লিস্ট চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া বাঞ্ছনীয়