সুস্বাস্থ্য.কম

সুস্থ্য দেহ ও সতেজ মনের জন্য...

  • Increase font size
  • Default font size
  • Decrease font size

মায়ের বুকের দুধ কম হবার কারণ

E-mail Print

১। মায়ের অপুষ্টি ই প্রধান কারন হিসেবে বিবেচিত হয়। অনেক সময় মহিলাদের গর্ভবতী অবস্থায় এবং সন্তান প্রসবের পরবর্তী সময়ে কুসংস্কারজনিত কারনে মাছ-মাংস জাতীয় পুষ্টিকর খাবার থেকে বঞ্চিত রাখা হয়। সন্তান বড় হলে প্রসবে কষ্ট হবে এমন ভুল ধারনার কারনেও অনেকে গর্ভবতীকে কম খাবার দিয়ে থাকেন। এ সকল কারনে মা প্রসব পরবর্তী সময়ে অপুষ্টিতে ভোগেন এবং তার বুকের দুধের পরিমান কমে যেতে পারে। ফলস্বরূপ মায়ের অপুষ্টি সন্তানের অপুষ্টির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

২। সঠিক অবস্থানে শিশুকে ধরে না রাখলে শিশু স্তনবৃন্ত বা নিপল চুষতে পারেনা,

এর ফলে মায়ের পক্ষে দুগ্ধ উৎপাদন করা সম্ভব হয়না। শিশুর স্তন চূষবার প্রতিক্রিয়ায় ই স্তন উতপন্ন হয়, এমন তথ্য জানা থাকলে অনেক মা'ই হয়তো এ ব্যাপারে আরো বেশী সতর্ক হতে পারতেন।

৩। শিশুকে স্তন্য দানে মায়ের অনিচ্ছা। অনেক আধুনিক মা এ ব্যাপারে অনিচ্ছা দেখান এবং শিশুকে তার প্রাপ্য থেকে বঞ্চিত করেন। অনেকের ভুল ধারনা আছে যে স্তন্য দান করলে হয়তো স্তনের গঠন নষ্ট হয়ে যায়; কিন্ত এটা একদম ভুল ধারনা। একজন মা' যখন তার শিশুটিকে তার জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত খাবার স্তন্যদুগ্ধ দান করেন তাকেই আধুনিক, চৌকষ বা স্মার্ট হিসেবে বিবেচনা করা হয়। একজন অর্ধশিক্ষিত বা অশিক্ষিত মহিলার পক্ষেই ভুল কাজ করা শোভা পায়।

৪। অনেক সময় প্রসুতি মা যদি উদ্বিগ্ন, পারিবারিক অশান্তি, দুশ্চিন্তা, হতাশা বা ভয়ভীতিতে ভোগেন সে ক্ষেত্রেও দুগ্ধ উৎপাদন কমে যেতে পারে।

৫। মায়ের কিছু রোগ যেমন যক্ষা, ক্রনিক রোগ, ক্যান্সার ইত্যাদি অসুখ থাকলে এবং সে অসুখের অসুধ খেতে থাকলে সে কারনেও দুগ্ধ উৎপাদন কম হতে পারে। এসব ক্ষেত্রে অনেক সময় স্তন্য দান করা থেকে মা'কে বিরত থাকতেও বলা হয়।

৬।শিশুকে একই সঙ্গে মায়ের স্তন এবং ফিডার বোতলের নিপলে খেতে দিলে শিশুর মায়ের বুকের প্রতি আসক্তি কমে যেতে পারে। শিশুর জন্মের পর পর এক দুই বোতল দুধ খাওয়ালেই শিশুর স্তন্য পানের সম্ভাবনা প্রায় এক তৃতীয়াংশ কমে যায়। ফিডারে নিপল চূষে খাওয়া খুব সহজ তাই শিশু তখন স্তন্য পান পুরোপুরি বর্জন করে এবং এর ফলশ্রুতিতে মায়ের দুগ্ধ উৎপন্ন করাও কমে যায়।

৭। শিশুকে যদি চুষনি চোষার অভ্যাস করানো হয় সে ক্ষেত্রেও শিশুটি মায়ের স্তনের প্রতি অনাগ্রহ দেখায় এবং মায়ের দুগ্ধ উৎপাদন আশংকাজনক হারে হ্রাস পায়।

{flike}

 

সুস্বাস্থ্য সুপারিশ করুন

এই সাইটের সকল তথ্য শুধুমাত্র চিকিৎসা সংক্রান্ত জ্ঞানার্জন ও সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রকাশিত যা কোন অবস্থাতেই চিকিৎসকের বিকল্প নয়রোগ নির্নয় ও তার চিকিৎসার জন্য সংশ্লিস্ট চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া বাঞ্ছনীয়