সুস্বাস্থ্য.কম

সুস্থ্য দেহ ও সতেজ মনের জন্য...

  • Increase font size
  • Default font size
  • Decrease font size

মাতৃদুগ্ধের উপকারিতা

E-mail Print

মনে রাখা প্রয়োজন শিশুর মায়ের বুকের দুধ একমাত্র মানব সন্তানের জন্যই তৈরী করা হয়েছে। অন্য কোনো প্রানীর দুধ অবশ্যই অন্য কোনো প্রানীর সন্তানের জন্য তৈরী করা হয়েছে। অন্য কোনো পশুর চাহিদা এবং মানব শিশুর চাহিদা কখনো এক হতে পারেনা। কৃত্রিম দুধ বা কৌটার দুধ কখনোই মায়ের দুধ থেকে তৈরী করা হয়না তাই সেসব খাদ্য কখনোই মায়ের দুধের বিকল্প হতে পারেনা। তবে হ্যা

জন্মের পরপর মা যদি খুব অসুস্থ থাকে বা স্তন্য দানে অক্ষম হয় তখন নিরুপায় হয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী শিশুকে অন্য খাবার (দুধ) দেয়া যেতে পারে। এ ব্যাপারে শিক্ষিত পাঠকগন খুব নিশ্চিত থাকবেন যে সেই দুধ কখনোই মায়ের দুধের সঠিক বিকল্প (Substitute) নয়। কৃত্রিম দুধ বেশী পুষ্টি দেবে এমন ধারনা এখনো কারো থেকে থাকলে আশা করবো তিনি এতক্ষনে তা থেকে অবশ্যই সরে এসেছেন। ৬ মাস বয়স পর্যন্ত শুধু মায়ের দুধই শিশুর প্রয়োজনীয় সকল পুষ্টির যোগান দিতে পারে।

মায়ের দুধ নিরাপদ, পরিস্কার, স্বাস্থ্যসম্মত, সহজপ্রাপ্য, শিশু খুব সহজেই তা হজম করতে পারে এমন নানাগুসম্বলিত অমূল্য এক প্রাপ্তি। একমাত্র মায়ের দুধই শিশুর প্রয়োজনীয় তাপমাত্রায় থাকে এবং শিশুর প্রয়োজনীয় পুষ্টির যোগান দেয়। মায়ের দুধে শিশুর রোগ প্রতিরোধের এমন কিছু উপাদান আছে যা শিশুকে অনেক রোগের হাত থেকে বাচায় এবং মস্তিস্ক গঠন ও বৃদ্ধিতে সহয়তা করে, মায়ের দুধ পান শিশুর চোয়াল, দাত ও মাড়ি গঠনে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। মায়ের দুধপান করা শিশুরা অপুষ্টিতে ভোগেনা এবং এসব শিশুর শিশুমৃত্যুর হার ও কম।

স্তন্য দানে মায়ের সাথে শিশুর একটি বিশেষ বন্ধন তৈরী হয় এবং এর ফলে মায়ের স্তন ক্যান্সার হবার ঝুকি কমে যায়। প্রাকৃতিক পরিকল্পনার একটি অঙ্গ হলো এই দুগ্ধদান, এর ফলে মায়ের ডিম্বানু নিষেকের সময় পিছিয়ে যায় এবং দ্রুত আরেকটি সন্তান হবার ঝুকি কমে যায়। সন্তান প্রসবের পর মহিলাদের যৌনাঙ্গ/প্রসবের পথ পূর্বাবস্থায় দ্রুত ফিরিয়ে আনতে স্তন্যদান বিশেষ কার্যকরী ভূমিকা রাখে।

{flike}

 

সুস্বাস্থ্য সুপারিশ করুন

এই সাইটের সকল তথ্য শুধুমাত্র চিকিৎসা সংক্রান্ত জ্ঞানার্জন ও সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রকাশিত যা কোন অবস্থাতেই চিকিৎসকের বিকল্প নয়রোগ নির্নয় ও তার চিকিৎসার জন্য সংশ্লিস্ট চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া বাঞ্ছনীয়