সুস্বাস্থ্য.কম

সুস্থ্য দেহ ও সতেজ মনের জন্য...

  • Increase font size
  • Default font size
  • Decrease font size

ইলেক্ট্রোকার্ডিওগ্রাম - ই.সি.জি.

E-mail Print

ই.সি.জি. বা ইলেক্ট্রোকার্ডিওগ্রাম হলো এমন একটি পরীক্ষা যার দ্বারা হৃদপিন্ডের বিদ্যুৎ পরিবহন বা পরিচলন পদ্ধতিকে গ্রাফের (Graph) এর মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। হৃদপিন্ড বা হার্ট এমন একটি অঙ্গ যা নিজে নিজেই চলতে পারে, বাইরে থেকে এর পরিচালনার জন্য কোনো স্নায়ু (Nerve)এর উদ্দীপনার প্রয়োজন নাই। হার্ট কে সবসময় স্পন্দিত রাখার জন্য এর ভেতরে একটি নিজস্ব বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র আছে, যাকে বলা হয় পেস মেকার (Pacemaker)

এই পেস মেকার থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ (Electricity) সমস্ত হার্টে একপ্রকার পরিবাহক তন্তর মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এই পরিবহন প্রক্রিয়ায় কোনো প্রকার ত্রুটি - বিচ্যুতি থাকলে তা হার্ট এর কার্যক্রমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে। ইসিজি করার মাধ্যমে সেই সকল ত্রুটি এবং প্রতিক্রিয়া গুলো একটি কাগজে গ্রাফ একে উপস্থাপন করা হয়।

একটি সরু বাকা গলিকে ১২ দিক থেকে ১২টি ক্যামেরা দিয়ে দেখালে যেমন তার সব কিছু ভালো ভাবে দেখা ও বোঝা যায় তেমনি হার্ট এর Electrical activity কে পরিষ্কার ভাবে বোঝার জন্য একে ১২ দিক থেকে ১২ টি লিড (Lead) এর মাধ্যমে দেখা হয়।

ইসিজি করার মাধ্যমে হার্টের স্পন্দন এর হার, তা নিয়মিত কিনা, বিদ্যুৎ পরিবহনে কোনো বাধা আছে কিনা, হার্ট এ ব্লক আছে কিনা, ইশকেমিয়া বা ইনফার্কশন আছে কিনা, হার্ট এর মাংশপেশী মোটা হয়ে গেছে কিনা, তা ঠিক মতো কাজ করছে কিনা, অনেকদিন যাবত উচ্চ রক্তচাপ আছে কিনা ইত্যাদি নানা তথ্য খুব সহজেই বোঝা যায়। একজন রোগীর হার্ট এর Electrical activity খুব দ্রুত পরিবর্তিত হতে পারে তাই তাকে বার বার ইসিজি করে দেখার প্রয়োজন হতে পারে। ইসিজি করার কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই।

 

সুস্বাস্থ্য সুপারিশ করুন

এই সাইটের সকল তথ্য শুধুমাত্র চিকিৎসা সংক্রান্ত জ্ঞানার্জন ও সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রকাশিত যা কোন অবস্থাতেই চিকিৎসকের বিকল্প নয়রোগ নির্নয় ও তার চিকিৎসার জন্য সংশ্লিস্ট চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া বাঞ্ছনীয়