সুস্বাস্থ্য.কম

সুস্থ্য দেহ ও সতেজ মনের জন্য...

  • Increase font size
  • Default font size
  • Decrease font size

কেমোডেকটোমা / নিউরোজেনিক টিউমার

E-mail Print

খুব উচূ স্থানে বা পাহাড়ে বসবাস করে এমন লোকজনেরই সাধারনত এই টিউমারটি হতে দেখা যায়। ৪০ বছরের আগে এই টিউমার হবার সম্ভাবনাও খুব কম। গলার মাঝামাঝি, যে কোন এক পাশে এই টিউমারটি হতে দেখা যায়। এটা নিরীহ শ্রেনীর একটি টিউমার আর তাই অনেকদিন ধরে খুব অল্প অল্প করে এটা বড় হতে থাকে। বড় হলে এটা জলপাই এর মতো হয় এবং ধরলে রবারের মতো হাল্কা শক্ত মনে হয় এবং নাড়ির স্পন্দন এর সাথে সে লাফাতে থাকে।

একে অনেক সময় চেপে ধরে রাখলে এটা ছোটো হয়ে যায়। এর আরেক নাম ক্যারোটিড বডি টিউমার। অন্য সব টিউমারের মতো কেমোডেকটোমার বায়োপসি বা এফ,এন,এ,সি করা যায়না। ক্যারোটিড এনজিওগ্রাম বা এম,আর,আই করে এর উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হয়। কেমোডেকটোমার একমাত্র চিকিৎসা হলো সার্জারি। রোগীর বয়স বেশী হলে অবশ্য সার্জারি না করানই ভালো। এর অপারেশন বেশ ঝুকিপূর্ণ, তাই অভিজ্ঞ ভাসকুলার সার্জন দ্বারা এর অপারেশন করানো উচিত।      {plusone}

 

সুস্বাস্থ্য সুপারিশ করুন

এই সাইটের সকল তথ্য শুধুমাত্র চিকিৎসা সংক্রান্ত জ্ঞানার্জন ও সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রকাশিত যা কোন অবস্থাতেই চিকিৎসকের বিকল্প নয়রোগ নির্নয় ও তার চিকিৎসার জন্য সংশ্লিস্ট চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া বাঞ্ছনীয়