সুস্বাস্থ্য.কম

সুস্থ্য দেহ ও সতেজ মনের জন্য...

  • Increase font size
  • Default font size
  • Decrease font size
স্তন সংক্রান্ত বিভিন্ন সমস্যা, চিকিৎসা ও পরামর্শ

কিশোরীর স্তন বিশাল বড় হয়ে যাওয়া

E-mail Print

অনেক সময় কিশোরী বয়সে অর্থাৎ মেয়েদের বয়োসন্ধির সময় স্তন বিশাল বড় হয়ে যেতে দেখা যায়। অনেক মেয়ে প্রথম গর্ভধারনের সময় ও এমন সমস্যায় পরতে পারে। বয়োসন্ধির সময় ইস্ট্রোজেন (Oestrogen) হরমোনের প্রভাবে মেয়েদের স্তন এর স্বাভাবিক পূর্ণতাপ্রাপ্তি ও বৃদ্ধি শুরু হয়। কোনো মেয়ের যদি এই ইস্ট্রোজেন এর প্রতি অস্বাভাবিক স্পর্শকাতরতা (altered sensitivity) থাকে তাহলে স্তনের এমন অস্বাভাবিক ও অনিয়ন্ত্রিত বৃদ্ধি শুরু হয়।

বিস্তারিত...
 

ঋতুচক্রে স্তনে ব্যথা বা সাইক্লিকাল মাস্টালজিয়া

E-mail Print

অনেক মেয়েরাই ঋতুচক্রের সময় তাদের স্তনে তীব্র ব্যথা অনুভব করে। একে মাস্টালজিয়া বলা হয়। এ ধরনের ব্যথার কারনে তার স্বাভাবিক জীবন যাত্রা অনেক সময় অচল হয়ে পরে, মেয়েটি নিদ্রাহীনতায় ভোগে এবং তার স্বাভাবিক যৌন জীবনও ব্যাহত হয়। মাস্টালজিয়া এসব মেয়েদের মনে তীব্র ভীতির সঞ্চার করে থাকে।

বিস্তারিত...
 

স্তন টিউমার / ফাইব্রোএডেনোমা (Fibroadenoma)

E-mail Print

১৫ থেকে ২৫ বছর বয়সের মেয়েদের পরিণত স্তনে গোটা উঠার মতো যে টিউমার হয় তা সাধারনত ফাইব্রোএডেনোমা। এটা খারাপ কোনো টিউমার বা ক্যান্সার নয়। একে স্তনের নিরীহ টিউমার (Benign breast tumour) বলা হয়। সাধারণত এই টিউমারটি ২ থেকে ৩ সেন্টিমিটার পর্যন্ত বড় হয় এবং খুব কম ক্ষেত্রেই তা ৫ সে.মি অতিক্রম করে। এটি ২৫ উর্ধ্ব মহিলাদের ও হতে পারে, তাই স্তনে কোনো টিউমার হলে আগেই জেনে নেয়া ভালো এটা ক্যান্সার না ফাইব্রোএডেনোমা।

বিস্তারিত...
 

স্তনের ফোড়া / ইনফেকশন

E-mail Print

স্তনের ফোঁড়া বা ইনফেকশন হওয়া রোগটি বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই দুগ্ধদানকারী মায়েদের হঠাৎ করে হয়ে থাকে। তবে অন্য সময়ও এ রোগটি হতে পারে। স্তনে জোরে আঘাত পেয়ে রক্ত জমে যাওয়া, স্তনের বোটায় শিশুর বা অন্য কারো কামড়ে দেয়া বা অন্য কোনো ঘা থেকেও এমনটি হতে পারে। জন্মগত ভাবে যে সকল মহিলার স্তনের বোটা ভেতরের দিকে থাকে (Nipple retraction) তাদের এই রোগ হবার হার অনেক বেশী। তবে এই রোগটি ব্যাকটেরিয়া জনিত একটি রোগ এবং স্টেফাইলোকক্কাস অরিয়াস (Staphylococcus aureus) নামক ব্যাকটেরিয়াটিই এই রোগ ঘটানোর জন্য মুলত দায়ী

বিস্তারিত...
 

স্তনের ক্যান্সার (Breast Cancer)

E-mail Print

উন্নত বিশ্বে মধ্য বয়স্ক মহিলাদের মৃত্যুর প্রধান কারন হলো স্তন ক্যান্সার। অনুন্নত বিশ্বেও এই হার আশংকাজনক। যুক্তরাজ্যে প্রতি ১২ জন মহিলার ১ জন স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়। ২০ বছর বয়সের নীচের মহিলাদের এই ক্যান্সার হয়না বললেই চলে। পুরুষদের স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা খুবই কম (০.৫% )। উন্নত বিশ্বের আধুনিক খাদ্যাভ্যাস নাগরিকদের অনেক সমস্যায় ফেলে, স্তন ক্যান্সার সেই খাদ্যাভ্যাসের কারনেই পশ্চিমা বিশ্বে বেশী দেখা যায় বলে ধরা হয়। বলে রাখা ভালো জাপান উন্নত বিশ্বের তালিকায় থাকলেও সেখানে স্তন ক্যান্সার কিন্ত ইউরোপ আমেরিকার মতো অতো বেশী নয়। তবে যেকোনো দেশেই অতিরিক্ত মদ্যপায়ীদের স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হবার হার যে অনেক বেশী এটা এখন একটা পরীক্ষিত সত্য। বিভিন্ন সমীক্ষায় দেখা গেছে, যে সকল মা তাদের সন্তান কে নিয়মিত স্তন্য পান করিয়েছেন তাদের স্তন ক্যান্সার হবার হার তুলনামুলক হারে অনেক কম, তেমনি যে সকল মা কম বয়সে বাচ্চা নিয়েছেন এবং যেসকল মহিলার মাসিক একটু দেরিতে শুরু হয়েছে (Late menarche) এবং আগে বন্ধ হয়ে গেছে (Early menopause) তাদের মধ্যেও এই হার বেশ কম।

বিস্তারিত...
 

স্তনের বোটা ভেতরে ঢুকে যাওয়া

E-mail Print

বয়োসন্ধিতে স্তনের পরিপূর্ণতা ও বৃদ্ধির সময় অনেক মেয়ের স্তনের বোটা (Nipple) স্তনের ভিতরের দিকে ঢুকে যায়। বেশীর ভাগ ক্ষেত্রেই শুধু একপাশের স্তন এই ধরনের সমস্যায় পরে। এর জন্য বিশেষ কোনো চিকিৎসার প্রয়োজন নেই। সাধারণত গর্ভধারন অথবা দুগ্ধদানের সময় নিজে নিজেই এই সমস্যা ভালো হয়ে যায়। যদি দুগ্ধদানের সময় এই সমস্যা ভালো না হয়ে যায় সেক্ষেত্রে তা শিশুকে দুগ্ধদানে বাধা সৃষ্টি করে।

বিস্তারিত...
 

গাইনিকোম্যাশিয়া (Gynaecomastia)

E-mail Print

ছেলেদের স্তন বড় হয়ে যাওয়াকে গাইনিকোম্যাশিয়া বলে। বয়োসন্ধির সময় ইসট্রোজেন হরমোনের উদ্দিপনায় মেয়েদের স্তনের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ঘটে, এন্ড্রোজেন নামক হরমোন এটি হতে বাধা দেয়। এন্ড্রোজেন এর প্রভাবে একজন বালক পুরুষে রুপান্তরিত হবার দিকে এগিয়ে যায়। কোনো কারনে বালকদের দেহে এন্ড্রোজেন অপেক্ষা ইস্ট্রোজেনের প্রভাব বেশী হলে তাদের স্তন মেয়েদের মতো আকারে বৃদ্ধি পেতে পারে।

বিস্তারিত...
 
  • «
  •  Start 
  •  Prev 
  •  1 
  •  2 
  •  3 
  •  Next 
  •  End 
  • »


Page 1 of 3

সম্পর্কিত আরও লেখা

সুস্বাস্থ্য সুপারিশ করুন

এই সাইটের সকল তথ্য শুধুমাত্র চিকিৎসা সংক্রান্ত জ্ঞানার্জন ও সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রকাশিত যা কোন অবস্থাতেই চিকিৎসকের বিকল্প নয়রোগ নির্নয় ও তার চিকিৎসার জন্য সংশ্লিস্ট চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া বাঞ্ছনীয়