সুস্বাস্থ্য.কম

সুস্থ্য দেহ ও সতেজ মনের জন্য...

  • Increase font size
  • Default font size
  • Decrease font size

পেস মেকার (pace maker) স্থাপন কারী রোগীদের জন্য পরামর্শ

E-mail Print

১. পেসমেকার অপারেশনের স্থান নখ দিয়ে চুলকাবেন না এবং পেসমেকার হাত দিয়ে চাপ দেয়া বা নাড়াচাড়া করার চেষ্টা করবেন না।

২. হৃদযন্ত্রের গতি অনিয়মিত হলে বা কমে গেলে এবং পেসমেকার লাগানোর পুর্বের অসুবিধা সমুহ পুনরায় দেখা দিলে সাথে সাথে যেকোনো হৃদরোগ হাসপাতালের জরুরী বিভাগে যোগাযোগ করবেন বা হৃদরোগ বিশেষজ্ঞের সাথে পরামর্শ করবেন।

৩. বুকের যে পাশে পেসমেকার বসানো হয়েছে সে দিকের কানে মোবাইল ফোন (cell phone) ব্যবহার করবেন না।

৪. উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন বৈদ্যুতিক ও চুম্বকিয় ক্ষেত্র (এম,আর,আই মেশিন- মেটাল ডিটেক্টর-মাইক্রোওয়েভ অভেন ইত্যাদি) থেকে দূরে থাকুন।

৫. পেসমেকার স্থাপনের পর প্রথমে ১ মাস, ৩ মাস, ৬ মাস এবং পরবর্তীতে প্রতি বছর একবার পেসমেকার চেক আপের জন্য নির্ধারিত স্থানে যোগাযোগ করুন।

৬. খাদ্য নির্দেশনা- স্বাভাবিক ও সুষম খাবার খাবেন, ডায়াবেটিস থাকলে সেই তালিকা অনুযায়ী খাবার খেতে হবে, করোনারি হৃদরোগ থাকলে তার খাদ্য তালিকা মেনে চলতে হবে, উচ্চ রক্ত চাপ থেকে থাকলে সেই অনুযায়ী খাবার খেতে হবে। মোদ্দা কথা পেসমেকার রোগীদের জন্য পৃথক কোনো খাদ্য তালিকা অনুসরন করার প্রয়োজন নাই।

 

 

সুস্বাস্থ্য সুপারিশ করুন

এই সাইটের সকল তথ্য শুধুমাত্র চিকিৎসা সংক্রান্ত জ্ঞানার্জন ও সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রকাশিত যা কোন অবস্থাতেই চিকিৎসকের বিকল্প নয়রোগ নির্নয় ও তার চিকিৎসার জন্য সংশ্লিস্ট চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া বাঞ্ছনীয়