সুস্বাস্থ্য.কম

সুস্থ্য দেহ ও সতেজ মনের জন্য...

  • Increase font size
  • Default font size
  • Decrease font size
সুস্বাস্থ্য.কম - স্বাস্থ্য বিষয়ক বাংলা ওয়েবসাইটে স্বাগতম

নবজাতকের নাভীর ইনফেকশন

E-mail Print

নবজাতকের নাভী দিয়ে যদি সাদা দুর্গন্ধযুক্ত পুজের মতো কিছু আসে তখন ধরে নিতে হয় বাচ্চার নাভীতে ইনফেকশন বা Umbilical sepsis হয়েছে। এ অবস্থায় নাভীর চারপাশটা লালচে হয়ে যায় এবং নাভী দিয়ে ক্রমাগত ভাবে স্রাব আসতেই থাকে।

স্টেফাইলোকক্কাস নামক এক ধরনের ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমনে এমনটি হয়ে থাকে, নাভীর স্রাবের কালচার পরীক্ষা করে এটি নিশ্চিত হওয়া যায়।

বিস্তারিত...
 

জন্মগত হৃদরোগ

E-mail Print

জন্মের সময়ই অনেক শিশু হৃদপিন্ডের সমস্যা নিয়ে জন্মায়, সহজ ভাবে বোঝানোর জন্য চিকিৎসকগণ অনেক সময় একে শিশুর হার্ট এ ফুটা/ছিদ্র আছে এমন শব্দ ব্যবহার করেন। এধরণের রোগ হলে শিশু জন্মের কিছুদিন পর থেকেই শ্বাস প্রশ্বাসের সমস্যায় ভোগে এবং কেউ কেউ খাবার সময় বা কান্না করলে নীল/কালচে-নীল হয়ে যায়। এরকম কয়েকটি রোগ এখানে আলোচনা করা হল।

এ,এস,ডি

একে এট্রিয়াল সেপ্টাল ডিফেক্ট বলা হয়। হার্ট এর উপরের অংশের দুটি প্রকোষ্ঠের মাঝে একটি অস্বাভাবিক ফুটো থাকার নামই এ,এস,ডি। এধরণের রোগ হলে শিশু জন্মের কিছুদিন পর থেকেই শ্বাস-প্রশ্বাসের সমস্যায় ভুগে এবং শিশুর বৃদ্ধি ও নিয়মিত হয়না। এ,এস,ডি ছোটো হলে ২-৫ বছরের মধ্যে নিজে নিজেই বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

বিস্তারিত...
 

মেরুদন্ড (vertebral column)

E-mail Print

সেই ছোটবেলা থেকেই আমরা শুনে এসেছি শিক্ষাই জাতির মেরুদন্ড। সেই মেরুদন্ডটা (back bone/vertebral column) কি জিনিস আমাদের ভালো মতো জানা আছে তো? উত্তরে একগাদা হ্যা শব্দ শোনা গেলেও এর ভেতরের সব কিছু জানার পর হ্যা বলার প্রবণতা অনেকেরই কমে আসতে পারে।

বিস্তারিত...
 

টি আই এ TIA (Transient Ischemic Attack)

E-mail Print

খুব সহজ বাংলায় বলতে গেলে টি,আই,এ হলো সাময়িক ব্রেইন স্ট্রোক (brain stroke )। ব্রেইন স্ট্রোক হলে যে উপসর্গগুলো মাসের পর মাস কিংবা কোন কোন ক্ষেত্রে সারা জীবনের জন্য স্থায়ী হয়ে যায়, টি,আই,এ হলে তার উপস্থিতি থাকে মিনিটখানেকের জন্য, কখনো সখনো হয়তোবা পুরো একদিন। কারো টি,আই,এ হলে তিনি হঠাৎ করে সাময়িক ভাবে দৃষ্টি হারিয়ে ফেলতে পারেন এমনকি কিছু সময়ের জন্য ভারসাম্য হারিয়ে অজ্ঞান হয়ে যাওয়াটাও এর আওতার মধ্যেই পরে। তবে বেশীর ভাগ ক্ষেত্রেই হঠাৎ দৃষ্টি হারিয়ে ফেলা, কথা জড়িয়ে যাওয়া, শরীরের একপাশ অবশ বা দূর্বল হয়ে যাওয়া, জীহবা (tongue) ভারী ভারী লাগা এসব লক্ষনের মধ্যে টি,আই,এ সীমাবদ্ধ থাকে। রোগী এই মুহুর্তগুলোর পর আবার সতস্ফুর্ত ভাবেই স্বাভাবিক হয়ে উঠেন।

বিস্তারিত...
 

ইশকেমিক (Ischaemic) হার্ট ডিজিজ

E-mail Print

হার্ট ব্লক হয়েছে বললেই আমাদের মনে যে রোগটির ছবি ফুটে উঠে তা হলো আসলে ইশকেমিক ডিজিজ। হার্ট ব্লক নামক প্রচলিত শব্দটি কিন্ত এই রোগের ক্ষেত্রে ভুল নামকরণের শিকার, কারণ হার্ট ব্লক নামে সত্যিই একটি হৃদ রোগ আছে যার সাথে এই রোগের মিল খুব সামান্যই। তবে হার্ট এর ধমণী তে ব্লক (করোনারি আরটারী স্টেনোসিস) হয়েছে বললে সেটা কিন্ত এই রোগটিকেই বোঝায়। তাই পাঠক এই ক্ষেত্রে একটু যত্নবান হবেন বলে আশা রাখবো। মেডিকেল পরিভাষায় একে করোনারি আর্টারি ডিজিজ বলা হয়।

বিস্তারিত...
 

আলঝেইমার’স ডিজিজ (Alzheimer’s disease)

E-mail Print

মানুষ বৃদ্ধ হলে স্মরণ শক্তি কমে যায় (dementia) এটা আমাদের মাঝে খুবই প্রচলিত একটি ধারণা। ধারনাটা যে খুব একটা ভুল তাও কিন্ত নয়। ৪৫ বৎসর বয়সের পর বিশাল অংশের একদল লোকের স্মরণ শক্তি কমে যেতে শুরু করে এবং বয়স বাড়ার সাথে সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়তে থাকে সব কিছু ভুলে যাবার প্রবণতাও। এই ধরণের বুদ্ধিবৈকল্য বা স্মৃতি শক্তি কমে যাওয়ার কারণ যে সকল রোগ তার প্রধান রোগটির নাম আলঝেইমারস রোগ। ১৯০৬ সালে জার্মান মনোচিকিৎসক Alois Alzheimer সর্বপ্রথম এ রোগটির বর্ণনা দেন, আর তার নাম অনুসারেই এ রোগের এমন নাম রাখা হয়।

বিস্তারিত...
 

কিডনি সুস্থ্য রাখার ৭ টি উপায়

E-mail Print

কিডনি ফেইলুর বা রেনাল ফেইলুর শরীরের এক নীরব ঘাতক, প্রায় প্রতিটি পরিবারেরই কেউ না কেউ এই ভয়াবহ রোগে আক্রান্ত। তাই আমরা সকলেই কমবেশী জানি এ রোগের ভোগান্তি কতটা নির্মম; কিন্ত আমরা কি জানি কিছু সাবধানতা অবলম্বন করলে সহজেই এই রোগ এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব। আসুন জেনে নেই কিভাবে সহজেই আপনার কিডনিকে সুস্থ্য রাখা সম্ভব,

১। কর্মঠ থাকুনঃ নিয়মিত হাটা,দৌড়ানো,স্লাইকিং করা বা সাতার কাটার মতো হাল্কা ব্যায়াম করে আপনার শরীরকে কর্মঠ ও সতেজ রাখুন। কর্মঠ ও সতেজ শরীরে অন্যান্য যেকোন রোগ হবার মতো কিডনি রোগ হবার ঝুকিও খুব কম থাকে।

বিস্তারিত...
 


Page 2 of 3

If you cannot view in Bangla Click here

সুস্বাস্থ্য সুপারিশ করুন

এই সাইটের সকল তথ্য শুধুমাত্র চিকিৎসা সংক্রান্ত জ্ঞানার্জন ও সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রকাশিত যা কোন অবস্থাতেই চিকিৎসকের বিকল্প নয়রোগ নির্নয় ও তার চিকিৎসার জন্য সংশ্লিস্ট চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া বাঞ্ছনীয়