সুস্বাস্থ্য.কম

সুস্থ্য দেহ ও সতেজ মনের জন্য...

  • Increase font size
  • Default font size
  • Decrease font size

এনুরিয়া (Anuria)

E-mail Print

এনুরিয়া বলতে বোঝায় ২৪ ঘন্টায় একদম প্রসাব বা মুত্র না হওয়া। এটা ভয়াবহ একটি পরিস্থিতি। এমনটি হলে প্রথমেই নিশ্চিত হয়ে নিতে হবে সত্যিই কি গত ২৪ ঘন্টা ধরে তৈরী প্রসাব হয়নি নাকি প্রসাব মুত্রথলি বা ইউরিনারি ব্লাডারে জমে আছে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই এমন দেখা যায় যে রোগীর প্রসাব তৈরী হয়েছে কিন্ত বের হতে পারছেনা, এমন পরিস্থিতি কে এনুরিয়া বলা হয়না, বলা হয় ইউরিনারি রিটেনশন। মুত্র নালি দিয়ে ক্যাথেটার পরিয়ে দিলেই রিটেনশন দূর হয়ে যায়, কিন্ত এনুরিয়া হলে ক্যাথেটার পরালেও কোনো ইউরিন বা মুত্র আসেনা।

শরীরে খুব তীব্র মাত্রার পানি শুন্যতা দেখা দিলে (যেমন, তীব্র ডায়ারিয়া বা বমি হওয়া, প্রচুর রক্তপাত হওয়া, শরীরের ব্যাপক অংশ পুরে যাওয়া ইত্যাদি), হৃদপিন্ড অপরিমিত পাম্প করলে (কার্ডিওজেনিক শক), এনেসথেসিয়ার পার্শপ্রতিক্রিয়ায়, হাইপোক্সিয়া বা তীব্র অক্সিজেন শুন্যতায় বা ভুল গ্রুপের ব্লাড দিয়ে রিএকশন হলে বা কিছু অসুধের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ায় এমনটি হতে পারে। আবার মুত্রথলির আগে মুত্রের গতি পথের কোথাও পাথর, টিউমার বা এমন অন্য কোনো কারনেও এনুরিয়া হয়। এনুরিয়া খুব ভয়াবহ একটি রোগ, কোনো প্রকার দেরি না করে সাথে সাথেই এর চিকিৎসা শুরু করা উচিত। এমন পরিস্থিতির উদ্ভব হলে একজন নেফ্রোলজিষ্ট বা কিডনি রোগ বিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধানে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নেয়া জরুরী। কি কারনে এনুরিয়া হয়েছে তা নির্ণয়ের জন্য বিভিন্ন পরীক্ষা নিরীক্ষা করাতে হয় এবং তার ফলাফলের উপর ভিত্তি করে এর চিকিৎসা দেয়া হয়। চিকিৎসা শুরু করতে দেরী হয়ে গেলে প্রায় সময়ই দুটো কিডনিই নষ্ট হয়ে যায় যা রোগীর অকাল মৃত্যুর কারন হয়ে দাঁড়ায়।

{flike}

 

সুস্বাস্থ্য সুপারিশ করুন

এই সাইটের সকল তথ্য শুধুমাত্র চিকিৎসা সংক্রান্ত জ্ঞানার্জন ও সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রকাশিত যা কোন অবস্থাতেই চিকিৎসকের বিকল্প নয়রোগ নির্নয় ও তার চিকিৎসার জন্য সংশ্লিস্ট চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া বাঞ্ছনীয়