সুস্বাস্থ্য.কম

সুস্থ্য দেহ ও সতেজ মনের জন্য...

  • Increase font size
  • Default font size
  • Decrease font size

প্রসাবে রক্ত যাওয়া বা হেমাচুরিয়া (Hematuria)

E-mail Print

হেমাচুরিয়া বলতে প্রসাবে রক্ত যাওয়াকে বোঝায়। এই রক্ত যাবার কারনে প্রসাবের রঙ ঘোলাটে দেখা যায় এবং কখনো কখনো তা গোলাপি বর্ণ ধারন করে। একজন সুস্থ্য মানুষের প্রসাবের সাথে কোনো রক্ত বা রক্ত কনিকা যাবেনা এটাই স্বাভাবিক। অবশ্য পরিনত সুস্থ্য মেয়ে / মহিলাদের প্রসাবে শুধুমাত্র মাসিক ঋতু চক্রের সময় কিছু রক্ত কণিকা পাওয়া যাওয়াটা স্বাভাবিক বলে ধরে নেয়া হয়।

হেমাচুরিয়া অনেক কারনে হতে পারে তবে প্রধানত এটা কিডনির এবং মুত্রনালির নানাবিধ সমস্যার কারনেই হয়ে থাকে। কিডনি এবং মুত্রথলিতে ইনফেকশন, পাথর, টিউমার, ক্যান্সার বা টিবি হলে প্রসাবে রক্তকনিকা পাওয়া যেতে পারে,এছাড়া কিডনি কোনো কারনে আঘাত প্রাপ্ত হলে বা এ,জি,এন (AGN), পায়োলোনেফ্রাইটিস ইত্যাদি হলেও প্রসাবে রক্ত কনিকা পাওয়া যেতে পারে। তাছাড়া ইউরেটার (Ureter) এবং ইউরেথ্রায় (Urethra) পাথর, টিউমার, ইনফ্লামেশন হলে এবং প্রষ্টেট গ্রন্থির ঘা অথবা ক্যান্সার হলেও হেমাচুরিয়া হতে পারে। কিডনির সমস্যার বাইরে রক্তজমাট বাধার সমস্যা (Bleeding disorder), এন্ডোকার্ডাইটিস, অস্বাভাবিক উচ্চ রক্ত চাপ (Malignant hypertension) এমনকি কিছু অসুধ সেবনের কারনেও হেমাচুরিয়া হওয়া সম্ভব।

কিডনি বিশেষজ্ঞগণ হেমাচুরিয়ার জন্য প্রসাব ও রক্তের বিভিন্ন পরীক্ষা, কিডনির বিভিন্ন প্রকার এক্সরে (Plain, Contrast), আলট্রাসনোগ্রাম, সিস্টোস্কোপি (Cystoscopy), বায়োপসি ইত্যাদি পরীক্ষা করিয়ে রোগের কারন নির্নয় করেন এবং চিকিৎসা করেন। হেমাচুরিয়ার চিকিৎসা পুরোপুরি এর কারন এর উপর নির্ভর করে। প্রসাবে রক্ত যাওয়া একটি আশঙ্কাজনক উপসর্গ  - তাই এই ধরনের সমস্যা দেখা দিলে অতিসত্ত্বর চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া উচিত।

 

সুস্বাস্থ্য সুপারিশ করুন

এই সাইটের সকল তথ্য শুধুমাত্র চিকিৎসা সংক্রান্ত জ্ঞানার্জন ও সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রকাশিত যা কোন অবস্থাতেই চিকিৎসকের বিকল্প নয়রোগ নির্নয় ও তার চিকিৎসার জন্য সংশ্লিস্ট চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া বাঞ্ছনীয়