সুস্বাস্থ্য.কম

সুস্থ্য দেহ ও সতেজ মনের জন্য...

  • Increase font size
  • Default font size
  • Decrease font size

হাপানী (Asthma)

E-mail

এজমা ফুসফুসের বিশেষ প্রদাহ বা ইনফ্লামেশন জাতীয় একটি রোগ যা এর আবরণী কোষ গুলোর বর্ধিত সংবেদনশীলতার কারনে হয়ে থাকে। এজমায় আক্রান্ত রোগীর শ্বাস কষ্ট, বুক চেপে ধরে থাকার অনুভুতি,শ্বাস টান সাথে কফ কাশি এই ধরনের উপসর্গ গুলো থেকে থাকে।

এটা পারিবারিক ভাবে বাহিত একটি রোগ, বাবা মা কারো এই রোগ থাকলে সন্তানের এই রোগ হবার ঝুকি খুবই বেড়ে যায়, তবে বাবা-মা এর এজমা না থাকলে সন্তানের এজমা হতে পারবেনা এমনটিও কিন্ত ভাবা ঠিক হবেনা।

এজমা রোগীর কোনো কোনো বিশেষ কিছুতে এলার্জি থেকে থাকে, এদের বলা হয় এলারজেন (allergen) এবং এসবের সংস্পর্শে আসলেই এজমার আক্রমন ঘটে। এজমা রোগীদের জন্য এই এলারজেন গুলো সনাক্ত করে নেয়া খুবই জরুরী। এগুলো হলো ঘরের পুরোনো কাপড় ঝাড়া ধুলো বা অন্য কোনো ধুলো, ফুলের রেণু, বিশেষ বিশেষ খাবার, পশুপাখীর শুকনো বিষ্ঠা, পালকের তৈরী বালিশ ইত্যাদি। এছাড়া কেউ বেশী আবেগপ্রবণ হয়ে গেলে, ভারী ব্যয়াম করলে, আবহাওয়া পরিবর্তনে (যেমন শীত কালে), ফুসফুসের ইনফেকশন হলে, নির্দিষ্ট কিছু পেশায় এমনকি বিশেষ কিছু অসুধ খেলেও এই রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়।

এজমা রোগী নিজে যত্নবান হলে এ রোগ নিয়ন্ত্রনে রাখা যায়। এজমা একেবারে ভালো করে দেবে এমন কোনো ঔষুধ এখনো আবিষ্কার হয়নি। তবে কিছু কিছু অসুধ এ রোগের প্রকোপ কমাতে এবং নিয়ন্ত্রন করতে সাহায্য করে। রোগের প্রাথমিক পর্যায়ে শুধু ইনহেলার (inhaler) জাতীয় শ্বাস নালীর প্রসারক বা ব্রঙ্কডাইলেটর (bronchodilator) ব্যবহার করে এবং কিছু নিয়ম মেনে এটা পুরোপুরি নিয়ন্ত্রনে রাখা যায়। রোগের তীব্রতা বাড়ার সাথে সাথে আরো শক্তিশালী ব্রঙ্কডাইলেটর ইনহেলার এবং সঙ্গে ট্যাবলেট জাতীয় ব্রঙ্কডাইলেটর এমনকই স্টেরয়েড জাতীয় অসুধ ও ব্যবহার করার প্রয়োজন হতে পারে। তবে বারবার অসুধের মাত্রা বাড়ানোর চেয়ে এ রোগ নিয়ন্ত্রনের দিকে বেশী মনোযোগ দিলেই রোগী বেশী লাভবান হবে।

 

সুস্বাস্থ্য সুপারিশ করুন

এই সাইটের সকল তথ্য শুধুমাত্র চিকিৎসা সংক্রান্ত জ্ঞানার্জন ও সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রকাশিত যা কোন অবস্থাতেই চিকিৎসকের বিকল্প নয়রোগ নির্নয় ও তার চিকিৎসার জন্য সংশ্লিস্ট চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া বাঞ্ছনীয়