সুস্বাস্থ্য.কম

সুস্থ্য দেহ ও সতেজ মনের জন্য...

  • Increase font size
  • Default font size
  • Decrease font size
প্রজনন ও গর্ভধারণ সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়

প্লাসেন্টা প্রিভিয়া

E-mail Print

গর্ভাবস্থায় যোনিপথ বা প্রসব পথে রক্তপাত হওয়াকে সবসময়ই একটি ভয়াবহ চিহ্ন হিসেবে দেখা হয়। গর্ভধারনের ২৪ সপ্তাহ থেকে প্রসবের আগ পর্যন্ত এই রক্তপাত কে এন্টিপারটাম হেমোরেজ বলা হয়। এই অবস্থায় রক্তপাত হবার নানাবিধ কারণ রয়েছে এর মধ্যে প্লাসেন্টা প্রেভিয়া এবং এব্রাপ্সিও প্লাসেন্টি নামক রোগ দুটোই সর্বাধিক দায়ী।

গর্ভের ফুল বা প্লাসেন্টাটি যদি জরায়ুর একদম নীচের দিকে বা জরায়ুমুখে লেগে থাকে তাহলে অনেক সময় প্রসবের রাস্তায় রক্তযেতে পারে। এর নামই প্লাসেন্টা প্রিভিয়া।

বিস্তারিত...
 

গর্ভাবস্থায় উচ্চরক্তচাপ / প্রি-এক্লাম্পসিয়া

E-mail Print

প্রি-এক্লাম্পসিয়া গর্ভবতী মায়ের উচ্চ রক্তচাপ জনিত একটি রোগ। যে সকল মহিলা গর্ভ ধারণের ২০ সপ্তাহ পরে নতুন করে উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশন (রক্ত চাপ ১৪০/৯০ এর সমান অথবা এর বেশী) এ আক্রান্ত হয় এবং একই সাথে যাদের হাত-পায়ে পানি আসে এবং ফুলে যায় এবং প্রসাবে বা মুত্রে প্রোটিন জাতীয় পদার্থ যায় তাদের প্রি-এক্লাম্পসিয়া নামক রোগটি হয়েছে বলে নিশ্চিত হওয়া যায়।

বিস্তারিত...
 

হাইপারেমেসিস গ্রাভিডেরাম

E-mail Print

অনেক গর্ভবতী মহিলাকে দেখা যায় গর্ভাবস্থায় অতিরিক্ত বমি করতে। এটা মাঝে মাঝে এতো অত্যাধিক হয় যে তা মায়ের স্বাস্থ্যের চরম অবনতি ঘটায় এমন কি স্বাভাবিক জীবন যাপন ও এসময় দুর্বিসহ হয়ে উঠে। সাধারণত প্রথম সন্তানের ক্ষেত্রেই এমন সমস্যা বেশী হয়ে থাকে। এই অবস্থা প্রথম তিন মাসের পর নিয়ন্ত্রনে চলে আসে। কোনো কোনো মায়ের ক্ষেত্রে এটা বংশগত ভাবেও এসে থাকে। গর্ভে একের অধিক সন্তান, হাইডাটিফর্ম মোল এবং অবৈধ সন্তান ধারণকারী মায়ের ক্ষেত্রে এর প্রবণতা অনেক অনেক বেশী।

বিস্তারিত...
 

গর্ভধারনের বয়স

E-mail Print
নবদম্পতিকে অনেক সময়ই সন্তান গ্রহনের সময় নিয়ে উদ্গ্রীব থাকতে দেখা যায়। এমন ভাবনা যে অমূলক তা কিন্ত নয়। প্রথম সন্তান নেবার মূহূর্তে স্বামী-স্ত্রী উভয়ের মাঝে পারিবারিক সমঝোতা, স্ত্রীকে নতুন মানুষ এবং পরিবেশে নিজেকে মানিয়ে নেয়া এবং নবদম্পতির আর্থিক সঙ্গতি – সবকটি বিষয়ই প্রথম সন্তান গ্রহনের আগে বিবেচনা করে দেখার প্রয়োজনীয় অংশ হিসেবে দেখা উচিৎ। এসব ব্যাপারে যথেষ্ট বিচক্ষনতার পরিচয় দিতে ব্যর্থ হলে গর্ভাবস্থায় নতুন মা’টি মানসিক চাপে থাকতে পারেন যা তার গর্ভের সন্তানের শারীরিক ও মানসিক বৃদ্ধির জন্য মঙ্গলজনক নয়। তবে এর ও ব্যতিক্রম আছে, বিয়ের সময় স্ত্রীর বয়স ত্রিশ এর বেশী হলে যথা সম্ভব কম সময় ক্ষেপন করে সন্তান নিয়ে নেয়া যেতে পারে। এই ব্যতিক্রম বাদ দিলে বিয়ের দুই থেকে চার বৎসর পরে প্রথম সন্তান নেয়া উচিৎ। সাধারণত বিশ বছরের আগে অথবা পয়ত্রিশ বছরের পরে সন্তান গ্রহনে বাড়তি ঝুকি থেকে যায়, তাই ২২ থেকে ৩০ বছরের মধ্যেই গর্ভধারণ উত্তম।
 

পলিহাইড্রমনিয়স

E-mail Print

মাতৃগর্ভে জরায়ুর মাঝে শিশুটি এমনিওটিক ফ্লুইড নামক একটি তরল পদার্থের মধ্যে ভাসমান অবস্থায় থাকে। এই ফ্লুইড বা তরলের পরিমাণ যদি কোনা কারনে ২০০০ মিলি লিটার বা ২ লিটার এর চেয়ে বেশী হয়ে যায় তাহলে গর্ভবতী মায়ের পেট অস্বাভাবিক মোটা বা স্থুল দেখা যায়। এরই নাম পলিহাইড্রমনিয়স (Polyhydramnios) বা হাইড্রমনিয়স (Hydramnios)। স্বাভাবিক ভাবে জরায়ুতে ৫০০ থেকে ১৫০০ সিসি এমনিওটিক ফ্লুইড থাকতে পারে।

বিস্তারিত...
 

এব্রাপ্সিওপ্লাসেন্টি

E-mail Print

প্লাসেন্টা বা গর্ভের ফুলটি যদি জরায়ুর গা থেকে ছুটে আসে বা separate হয়ে যায় তাহলে জরায়ু মুখ বা যোনিপথ দিয়ে যে রক্তপাত হয় তাকে এব্রাপ্সিওপ্লাসেন্টি বলা হয়। গর্ভে একাধিক সন্তান থাকলে, মায়ের বয়স বেশী হলে, এক্লাম্পসিয়া থাকলে, তলপেটে আঘাত পেলে বা পলিহাইড্রমনিয়স জাতীয় সমস্যা থাকলে এমন সমস্যা হবার প্রবণতা বেশী থাকে।

বিস্তারিত...
 

গর্ভধারণের মাঝে সময়ের ব্যবধান

E-mail Print
দুটি গর্ভধারণের মাঝে সময়ের ব্যবধান কতটা হওয়া উচিৎ এই তথ্যটি অনেক দম্পতিরই জানা নেই, অনেকে আবার জানলেও তা অনুসরণ করতে চান না। সে যাই হোক সকলেরই এই তথ্যটি জানা থাকা প্রয়োজন যে দুটি গর্ভধারণের মাঝে নূন্যতম ৩ থেকে ৫ বছরের ব্যবধান থাকা উচিৎ। যদিও প্রসবের ৪০ দিন পরেই মা স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে পারেন কিন্ত পরবর্তী সন্তান ধারনের জন্য পর্যাপ্ত শারীরিক কাঠামো ফিরে পেতে নূন্যতম দুই বছর সময় লেগে যায়, তাই এই ব্যবধান মায়ের জন্য অপরিহার্য্য বিষয়। এর কম সময়ে সন্তান নিলে শুধু যে মায়ের স্বাস্থ্য ঝুকি বাড়ে তাই নয়, ভূমিষ্ঠ শিশুটির ওজনও কম হয় এবং শিশুর গঠন এবং স্বাভাবিক বৃদ্ধিও বাধাপ্রাপ্ত হয়। এ সকল শিশু ঘন ঘন অসুস্থ্য হয় এবং জন্মের প্রথম বছরে এ সকল শিশুর মৃত্যুহারও তুলনামূলক ভাবে অনেক বেশী। দুটি শিশু খুব কাছাকাছি বয়সের হলে বড় শিশুটি হঠাৎ করে মাতৃস্তন্য বঞ্চিত হয়। বড় শিশুটির প্রয়োজনীয় বিশেষ খাদ্য তৈরীতেও মা তেমন সময় দিতে পারেন না, ফলে নতুন শিশুটি যেমন মায়ের দুর্বল স্বাস্থ্যের জন্য দুর্বলতার শিকার হয় বড় শিশুটিও একই ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তেমনি কোনো সন্তান অসুস্থ হলে মা কোনোটিরই পর্যাপ্ত যত্ন নিতে পারেন না। এসকল কারণে দুটি শিশু এবং মা স্বাস্থ্যহীনতায় ভোগে তেমনি সংসারে নতূন করে দাম্পত্য কলহ দেখা দেয়াটাও অমুলক নয়।
 


Page 5 of 5

সুস্বাস্থ্য সুপারিশ করুন

এই সাইটের সকল তথ্য শুধুমাত্র চিকিৎসা সংক্রান্ত জ্ঞানার্জন ও সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রকাশিত যা কোন অবস্থাতেই চিকিৎসকের বিকল্প নয়রোগ নির্নয় ও তার চিকিৎসার জন্য সংশ্লিস্ট চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া বাঞ্ছনীয়