সুস্বাস্থ্য.কম

সুস্থ্য দেহ ও সতেজ মনের জন্য...

  • Increase font size
  • Default font size
  • Decrease font size

এব্রাপ্সিওপ্লাসেন্টি

E-mail Print

প্লাসেন্টা বা গর্ভের ফুলটি যদি জরায়ুর গা থেকে ছুটে আসে বা separate হয়ে যায় তাহলে জরায়ু মুখ বা যোনিপথ দিয়ে যে রক্তপাত হয় তাকে এব্রাপ্সিওপ্লাসেন্টি বলা হয়। গর্ভে একাধিক সন্তান থাকলে, মায়ের বয়স বেশী হলে, এক্লাম্পসিয়া থাকলে, তলপেটে আঘাত পেলে বা পলিহাইড্রমনিয়স জাতীয় সমস্যা থাকলে এমন সমস্যা হবার প্রবণতা বেশী থাকে।

এই রোগে অনেক সময় খুব অল্পপরিমানে রক্তপাত হতে দেখা যায় তবে রক্তের রঙ সবসময়ই থাকে গাঢ় লাল। বাহ্যিক রক্তপাত হতে না দেখা গেলেও এ রোগে রক্তপাত যে খুব কম হয় তা কিন্ত নয় বরং রক্তপাত হয়ে তা জরায়ুর ভেতরে থেকে যেতে পারে, এর ফলে বাচ্চার ক্ষতি হবার পরিমান আরো বেড়ে যায়। এব্রাপ্সিও প্লাসেন্টি হলে রোগী ব্যথা অনুভব করে এবং অনেক সময় তীব্র পেট ব্যথার কথা জানায়।

জরায়ুর মধ্যে রক্তপাত হওয়ায় রোগীর জরায়ু (বাহ্যিক ভাবে তলপেট) শক্ত হয়ে উঠে এবং বাচ্চার নড়াচড়া কমে যেতে পারে। বাচ্চার বয়সের তুলনায় জরায়ুকে অনেক বড় মনে হওয়াটাও এ রোগের ই একটি লক্ষন হতে পারে।

এ রোগ হলে রোগীকে সাথে সাথে নিকটবর্তী হাসপাতালে ভর্তি করিয়ে দেয়া উচিৎ এবং একজন স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধানে থাকা উচিৎ। ভর্তির পর রোগীকে দ্রুত রক্ত দেবার প্রয়োজন হয়ে থাকে এজন্য রোগীর রক্তের গ্রুপ জানা খুবই জরুরী।

আল্ট্রাসনোগ্রাম করে এই রোগের উপস্থিতি নিশ্চিত হওয়া যায় তবে অভিজ্ঞ বিশেষজ্ঞ গণ পরীক্ষা করেও এই রোগের ব্যাপারে নিশ্চিত হতে পারেন। ভর্তির সময় রোগী যদি লেবার পেইন (Labour pain) নিয়ে ভর্তি হয় তা হলে সাধারণত নরমাল ডেলিভারির মাধ্যমে বাচ্চা প্রসব করানো হয়। তবে অন্য কোনো ঝুকি থাকলে বা লেবার এ না থাকলে সাধারণত সিজারিয়ান সেকশনের মাধ্যমে বাচ্চা বের করে নিয়ে আসা হয়। গর্ভের বাচ্চা পরিণত না হলে রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি থাকা অবস্থায় পর্যবেক্ষনে রাখা হয় এবং পরিণত হলে অবস্থা বুঝে বাচ্চার জন্মের ব্যাবস্থা করা হয়।

 

 

সুস্বাস্থ্য সুপারিশ করুন

এই সাইটের সকল তথ্য শুধুমাত্র চিকিৎসা সংক্রান্ত জ্ঞানার্জন ও সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রকাশিত যা কোন অবস্থাতেই চিকিৎসকের বিকল্প নয়রোগ নির্নয় ও তার চিকিৎসার জন্য সংশ্লিস্ট চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া বাঞ্ছনীয়