সুস্বাস্থ্য.কম

সুস্থ্য দেহ ও সতেজ মনের জন্য...

  • Increase font size
  • Default font size
  • Decrease font size

এপেন্ডিসেকটমি

E-mail Print

এপেন্ডিসেকটমি এর অর্থ হলো এপেনডিক্স নামক অঙ্গটি কেটে ফেলে দেয়া। সাধারনত এপেন্ডিসাইটিস হলে এই অপারেশন করাতে হয়। এছাড়া এপেন্ডিক্স এ যদি ফিকোলিথ হয়, নিউমোসিল বা মিউকোসিল হয় অথবা এপেন্ডিক্সের টিউমার (কারসিনয়েড) হলেও এপেন্ডিসেকটমি করাতে হয়।

এপেন্ডিসাইটিস হলে সাধারনত পেটের নিচের দিকে ডান পাশে এবং কখনো কখনো নাভীর চারপাশে ব্যথা হয়। ডাক্তার সাহেব রোগীকে পরীক্ষা করে নিশ্চিত হলে ঐ সময়ই এপেন্ডিসেকটমি করিয়ে ফেলতে বলেন। এজন্য রোগীকে অপারেশনের আগে ঘন্টা চারেক খালি পেটে থাকতে হয় এবং এর পর পুরোপুরি অজ্ঞান করে এই সার্জারি করতে হয়।

এপেন্ডিসেকটমি করার জন্য নাভীর নীচে ডান দিকে ইঞ্চি তিনেক লম্বা অংশের চামড়া কেটে পেটের ভেতর ঢুকতে হয়, এর পর এপেন্ডিক্স এর গোড়া ও এর রক্তনালী বেধে একে কেটে বাইরে নিয়ে আসা হয়। এছাড়া আরেকটু নিচের দিকে আরো ছোটো করে চামড়া কেটেও এপেন্ডিসেকটমি (লেনজ এর পদ্ধতি) করা যায়। কসমেটিক কারনে এমনটি করা হয়। একদম দাগ এড়াতে চাইলে ল্যাপারোস্কোপি করেও এপেন্ডিসেকটমি করা যায়, তবে এর জন্য বিশেষ দক্ষতার প্রয়োজন রয়েছে।

এপেন্ডিসেকটমি করার পর এপেন্ডিক্স এর হিস্টোপ্যাথলজি বা বায়োপসি পরীক্ষা করাতে হয়। এটা করলে রোগের কারন সম্বন্ধে নিশ্চিত হওয়া যায়। এপেন্ডিসাইটিস হলে এপেন্ডিসেকটমি করাতে দেরী করলে অনেক সময় এপেন্ডিক্স ফেটে Burst appendix নামক জটিলতার সৃষ্টি হতে পারে যার চিকিৎসা বেশ ঝুকি পূর্ণ। তাই সিদ্ধান্ত নিতে দেরী না করে দ্রুত সার্জন এর স্মরনাপন্ন হওয়া ভালো।

 

 

সুস্বাস্থ্য সুপারিশ করুন

এই সাইটের সকল তথ্য শুধুমাত্র চিকিৎসা সংক্রান্ত জ্ঞানার্জন ও সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রকাশিত যা কোন অবস্থাতেই চিকিৎসকের বিকল্প নয়রোগ নির্নয় ও তার চিকিৎসার জন্য সংশ্লিস্ট চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া বাঞ্ছনীয়